সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ
● কুমিল্লায় ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক শাহজাহান বাশার ● মাদক ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি পেলেন আইনজীবী হাবিবুল হক ● বাকেরগঞ্জে গণধর্ষণের অভিযোগ নিতে ওসির অস্বীকৃতি! উল্টো ভিকটিমকে ৭ বছরের জেলের ভয়! ● আইন, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি: বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হলেন কুমিল্লার কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট হাবিবুল হক ● সুফিবাদ ও তাসাউফ তরিকতের মূল শিক্ষাই হলো ইসলামের মূল আদর্শ ও দর্শন-সাংবাদিক মোঃ শাহজাহান বাশার ● এডিএম স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ বিশেষ অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা পেলেন অ্যাডভোকেট মো. হাবিবুল হক ● শারদীয় দূর্গা পূজার আন্তর্জাতিক বিশ্বতান এর নাটক “সিদ্ধিদাতা গণেশ” ● আইন অঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতি, ‘স্মার্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন হাবিবুল হক ● বাকেরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ● নবী-ওলিদের মানবকল্যাণমুখী আদর্শে মানবিক সমাজ গঠনের আহ্বান-সৈয়দ সাইফুদ্দীন মাইজভাণ্ডারী

স্মরণে মতিন খসরু আইন, রাজনীতি ও ন্যায়বোধে উজ্জ্বল এক মানুষের বিদায়

Reporter Name / ৩৯ Time View
Update : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

৫৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কেউ চলে যান, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া কর্ম থেকে যায়। সময়ের স্রোতে অনেক কিছু বদলে যায়, অনেক পরিচিত মুখ হারিয়ে যায় বিস্মৃতির আড়ালে। কিন্তু কিছু মানুষের জীবন ও কর্ম সময়কে অতিক্রম করে মানুষের স্মৃতিতে বেঁচে থাকে। অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু ছিলেন তেমনই একজন মানুষ—যাঁর জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে মহান মুক্তিযুদ্ধ, আইন পেশা, জাতীয় রাজনীতি, সংসদীয় দায়িত্ব এবং ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা।

কুমিল্লার রাজনৈতিক ও আইনাঙ্গনের ইতিহাসে দীর্ঘ সময় ধরে যে কয়েকজন ব্যক্তিত্ব মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন, আবদুল মতিন খসরু তাঁদের অন্যতম। আইনজীবী হিসেবে আদালত অঙ্গনে, রাজনীতিক হিসেবে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষের কাছে এবং জাতীয় পর্যায়ে সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী হিসেবে তিনি রেখে গেছেন দীর্ঘ কর্মজীবনের স্মৃতি। জীবনের শেষ পর্যায়েও দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীদের সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ছিলেন সক্রিয়। ২০২১ সালের ১৪ এপ্রিল তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে কুমিল্লার রাজনীতি ও আইনাঙ্গনের একটি পরিচিত অধ্যায়ের অবসান ঘটে।

১৯৫০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন কুমিল্লা জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল মতিন খসরু। শৈশব-কৈশোর থেকেই তিনি রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে পড়াশোনার পর তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা আরও গভীর হয়। জীবনীভিত্তিক বিভিন্ন তথ্যে ১৯৬৬ সালে ছাত্রলীগের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি শুরু হয় ১৯৭১ সালে। দেশ যখন স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামে, তখন তিনি মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তৎকালীন অবিভক্ত বুড়িচং থানার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন বলে বিভিন্ন জীবনীমূলক তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।

স্বাধীনতার পর তাঁর সামনে ছিল নতুন বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতা। তিনি আইন পেশাকে জীবনের অন্যতম প্রধান কর্মক্ষেত্র হিসেবে বেছে নেন। ১৯৭৮ সালে কুমিল্লা জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইন পেশায় যুক্ত হন। কুমিল্লার আদালত থেকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত—দীর্ঘ এই পথচলায় তিনি অর্জন করেন আইন ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে গভীর অভিজ্ঞতা। শুধু আদালতকেন্দ্রিক পেশাজীবন নয়, আইনজীবীদের সংগঠনেও তাঁর নেতৃত্বের স্বীকৃতি আসে। ২০১৫ সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

আইনজীবী হিসেবে পরিচিতির পাশাপাশি রাজনীতির মাঠেও ধীরে ধীরে তাঁর অবস্থান শক্তিশালী হয়। কুমিল্লা-৫ আসনের মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা তাঁকে স্থানীয় রাজনীতিতে স্বতন্ত্র অবস্থান এনে দেয়। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি আর পেছনে ফিরে তাকাননি। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অর্থাৎ কুমিল্লা-৫ আসন থেকে মোট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পর্ক তাঁর এই জনসম্পৃক্ততার অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে।

জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি আসে ১৯৯৬ সালে। ওই বছর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে আবদুল মতিন খসরু আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। আইনমন্ত্রী হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালনকাল বাংলাদেশের আইন ও রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে আলোচিত। তাঁর সময়েই ১৯৭৫ সালের ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার আইনি পথ সুগম হয়।

আইনমন্ত্রী হিসেবে তাঁর বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের জন্য দ্রুত, সহজ, কম ব্যয়বহুল ও সহজলভ্য বিচারব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে। ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের নথিতে আইনমন্ত্রী হিসেবে তাঁর বক্তব্যের উল্লেখ পাওয়া যায়। সেখানে বিচারব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে ইনডেমনিটি বাতিলের বিষয়টিকে তিনি ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন। তাঁর কাছে আইন ছিল শুধু আদালতের বিধিবিধান নয়, বরং মানুষের অধিকার রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

সংসদীয় রাজনীতির পাশাপাশি দলীয় রাজনীতিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত। পরে ২০১৭ সালে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন বলে বিভিন্ন জীবনীভিত্তিক সূত্রে উল্লেখ রয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ক্ষমতা, বিরোধিতা, রাজনৈতিক পরিবর্তন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও তিনি জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

জীবনের শেষ পর্যায়েও আইনাঙ্গন থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি মতিন খসরু। ২০২১ সালের মার্চে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। দীর্ঘ আইনজীবী জীবনের শেষপ্রান্তে এসে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীদের সংগঠনের নেতৃত্ব পাওয়া ছিল তাঁর পেশাগত জীবনের অন্যতম স্বীকৃতি। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ২০২১ সালের ১৪ এপ্রিল বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

তাঁর মৃত্যু ছিল কেবল একটি পরিবারের জন্য শোকের ঘটনা নয়; কুমিল্লার রাজনৈতিক অঙ্গন, আইনজীবী সমাজ এবং তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী ও অনুসারীদের কাছেও এটি ছিল এক বেদনাবিধুর অধ্যায়। একজন মুক্তিযোদ্ধা, একজন আইনজীবী, একজন সংসদ সদস্য এবং একজন সাবেক আইনমন্ত্রী—বহু পরিচয়ের মানুষটি হঠাৎ করেই চলে গেলেন, রেখে গেলেন দীর্ঘ কর্মজীবনের অসংখ্য স্মৃতি।

মতিন খসরুর জীবনকে শুধু একজন রাজনীতিকের জীবন হিসেবে দেখলে তাঁর কর্মজীবনের পুরো চিত্রটি ধরা পড়ে না। একইভাবে তাঁকে শুধু একজন আইনজীবী হিসেবেও মূল্যায়ন করা যায় না। তাঁর জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ভূমিকা, স্বাধীনতার পর আইন পেশায় দীর্ঘ পথচলা, জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব, আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন, দলীয় নেতৃত্ব এবং জীবনের শেষ পর্যায়ে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব—সব মিলিয়ে তাঁর জীবন ছিল বহুমাত্রিক।

একজন রাজনীতিকের সবচেয়ে বড় অর্জন শুধু কোনো পদ বা ক্ষমতা নয়; মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং মানুষের মনে তাঁর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। কুমিল্লা-৫ আসন থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জনসম্পৃক্ততার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যোগাযোগ তাঁকে স্থানীয় রাজনীতির একটি পরিচিত মুখে পরিণত করেছিল।

তাঁর জীবনে সাফল্যের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিতর্কও ছিল—যা দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা প্রায় সব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। তবে সময়ের সঙ্গে একজন মানুষের মূল্যায়ন শেষ পর্যন্ত তাঁর কর্ম, সিদ্ধান্ত এবং জনজীবনে রেখে যাওয়া প্রভাবের মধ্য দিয়েই হয়। মতিন খসরুর ক্ষেত্রেও ইতিহাসের আলোচনায় ফিরে আসে তাঁর মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকা, দীর্ঘ আইনজীবী জীবন, পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া, আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগ এবং আইনজীবীদের সংগঠনে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো অধ্যায়গুলো।

আজ তিনি নেই। নেই তাঁর রাজনৈতিক ব্যস্ততা, নেই আদালত অঙ্গনের পরিচিত উপস্থিতি, নেই মানুষের সঙ্গে সেই সরাসরি যোগাযোগ। কিন্তু তাঁর নাম এখনো কুমিল্লার রাজনৈতিক ও আইনাঙ্গনের আলোচনায় ফিরে আসে। কারণ মানুষ চলে গেলেও তাঁর কর্মের কিছু অংশ সময়ের সঙ্গে ইতিহাসের অংশ হয়ে যায়।

আবদুল মতিন খসরুর জীবন তাই শুধু একজন ব্যক্তির জীবনকাহিনি নয়; এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, আইন পেশা এবং ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি অধ্যায়। তাঁর জীবনের ভালো দিকগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়া, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, ন্যায়বিচারের গুরুত্ব উপলব্ধি করা এবং মানুষের অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে তাঁর প্রতি সবচেয়ে অর্থবহ শ্রদ্ধা।

সময় চলে যায়, প্রজন্ম বদলে যায়, রাজনৈতিক বাস্তবতাও বদলে যায়। কিন্তু কিছু মানুষের কর্ম তাঁদের সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়। অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরুও তেমনই একটি নাম—একজন মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী, রাজনীতিক, সংসদ সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী, যাঁর জীবন জুড়ে ছিল আইন, রাজনীতি ও ন্যায়বোধের দীর্ঘ পথচলা।

স্মরণে মতিন খসরু—একজন মানুষ, একটি কর্মময় জীবন এবং ইতিহাসের পাতায় থেকে যাওয়া একটি নাম।

মরহুম অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।

আল্লাহ তাঁকে মাফ করে দিন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

উপদেষ্টা পর্ষদ

প্রধান উপদেষ্টা
হুমায়ুন কবির জীবন
উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক
আবুল হাসানাত
সম্পাদকীয় উপদেষ্টা
মোঃ শাহরিয়া সিকদার

সম্পাদকীয় পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শরিফ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
মোঃ শাহজাহান বাশার
উপসম্পাদক
সালাম মিয়া

কার্যালয় ও যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়

২ নং, উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়ন কৃষ্ণনগর। কুমিল্লা আদর্শ সদর

যোগাযোগ

+
+

ডিজাইন ও প্রযুক্তি সহায়তায়ঃ