সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ
● কুমিল্লায় ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক শাহজাহান বাশার ● মাদক ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি পেলেন আইনজীবী হাবিবুল হক ● বাকেরগঞ্জে গণধর্ষণের অভিযোগ নিতে ওসির অস্বীকৃতি! উল্টো ভিকটিমকে ৭ বছরের জেলের ভয়! ● আইন, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি: বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হলেন কুমিল্লার কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট হাবিবুল হক ● সুফিবাদ ও তাসাউফ তরিকতের মূল শিক্ষাই হলো ইসলামের মূল আদর্শ ও দর্শন-সাংবাদিক মোঃ শাহজাহান বাশার ● এডিএম স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ বিশেষ অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা পেলেন অ্যাডভোকেট মো. হাবিবুল হক ● শারদীয় দূর্গা পূজার আন্তর্জাতিক বিশ্বতান এর নাটক “সিদ্ধিদাতা গণেশ” ● আইন অঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতি, ‘স্মার্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন হাবিবুল হক ● বাকেরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ● নবী-ওলিদের মানবকল্যাণমুখী আদর্শে মানবিক সমাজ গঠনের আহ্বান-সৈয়দ সাইফুদ্দীন মাইজভাণ্ডারী

গুলশানের স্পা সেন্টার গুলোর একক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে গুলশান থানার অপারেশন মিজানুর ও ফাঁড়ি ইনচার্জ সালমানের বিরুদ্ধে !

Reporter Name / ১৮৭ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

৮৭

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর অন্যতম অভিজাত এলাকা গুলশান-বনানী। কূটনৈতিক মিশন,ভিআইপি স্থাপনা, প্রভাবশালী শিল্পপতি, রাজনীতিক ও তারকাদের আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় দিনেদুপুরেই দাপটের সঙ্গে চলছে অবৈধ স্পা সেন্টার ও সীসা লাউঞ্জ। নামমাত্র স্পা বা বিউটি পার্লার এবং যন্ত্র – তন্ত্র গেষ্ট হাউজ, হোটেলের আড়ালে পরিচালিত হচ্ছে মাদক কারবার, দেহব্যবসা ও ব্ল্যাকমেইলের মতো গুরুতর অপরাধ।

ফুটপাত দখলে নিয়ে চলছে স্থানীয় প্রশাসন এবং ক্যাডার বাহিনীর নীরব চাঁদাবাজি। গুলশান-বনানীর প্রত্যেকটি রোডের দুই পাশে তাকালেই বোঝা যায় কতোটা বেপরোয়া স্থানীয় প্রশাসন এবং লোকাল ক্যাডার বাহিনী গুলো।

স্থানীয় সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, শাহ আলম এবং দালাল আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে গুলশান-১ এ রবি টাওয়ারের দক্ষিণ পাশের ভবন , হানিফ বিরিয়ানী এন্ড রেস্টুরেন্ট এর লিফটের ৫ , ৬ষ্ট তলা। ডান পাশ এবং বাম পাশ দুই ফ্লোর । অভিযোগ আছে এই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম বয়সী তরুণীদের ঢাকায় এনে আটকে রেখে জোরপূর্বক দেহব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এছাড়া মাদক সেবন ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো অপরাধের সাথেও তারা জড়িত।

আলাউদ্দিন নিজেকে কথিত সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে এই অবৈধ স্পা সেন্টারের দালাল হিসেবে কাজ করেন। তিনি বিভিন্ন সময় প্রতিবাদী ব্যক্তিদের ফোন করে হুমকি-ধামকি দিয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মুল ধারার গণমাধ্যম কর্মী বা সমাজের প্রতিবাদী মানুষ যখন তাদের এই অবৈধ কার্যকলাপের প্রতিবাদ করে থাকে তখন তাদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে কণ্ঠস্বর বন্ধ করার চেষ্টা করেন।

শাহ্ আলম – আলাউদ্দিন – মতো অসংখ্য অবৈধ প্রতিষ্ঠান গুলশানে বছরের পর বছর ধরে আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে পরিচালিত হয়ে আসছে । দিনের বেলায় নীরব থাকলেও রাত নামলেই শুরু হয় উচ্ছৃঙ্খলতা। এর জেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ,অন্ধকার জগতের আড়ালে হয় বড় বড় অপরাধ। বর্তমানে গুলশান ও বনানী এলাকায় শতাধিক স্পা এবং যন্ত্র-তন্ত্র গেষ্ট হাউজ – হোটেল গুলো আবারও মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে। অধিকাংশই মাদক এবং অনৈতিক-অবৈধ দেহ ব্যাবসার সাথে জড়িত।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর পেছনে রয়েছে মোটা অঙ্কের মাসোহারা লেনদেন। তবে এই লেনদেনে মোটা অংকের টাকা গুনছেন গুলশান থানার ইন্সপেক্টর অফরেশন মিজানুর রহমান, গুলশান ফাঁড়ি ইনচার্জ সালমান ফারশিসহ উক্ত থানার বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা।

একটি স্পা সেন্টারের মালিক প্রতিবেদককে জানান, তিনি প্রতি মাসে এক লক্ষ টাকা করে দুটি স্পার জন্য মোট দুই লক্ষ টাকা মাসোহারা দেন ওসি অপারেশন মিজানুর রহমানকে। ডি সি – এডিসি- এসি এবং ফাঁড়ি ইনচার্জ হিসেবে এস আই সালমান ফারশি নিজের নামে মাসোহারার টাকা উঠান । সালমান ফারশিকে প্রতি মাসে দিতে হয় দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা!

এদিকে এক স্পা সেন্টারের মালিকের সঙ্গে ইন্সপেক্টর অপারেশন মিজানুর রহমানের একাধিক হোয়াটস অ্যাপ কথোপকথনের স্ক্রিন শর্ট প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।
সেখানে অবৈধ স্পা ব্যবসায়ী হীরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন ওসি অপারেশনের সঙ্গে। একটি বার্তায় হীরা লিখেছেন, নিয়মিত অভিযান চললে গুলশানে ব্যবসা চালানো সম্ভব হবে না। অভিযোগ রয়েছে, মামলার সিডির মতো গুরুত্বপূর্ণ নথিও হীরার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠানো হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্পা সেন্টারের ম্যানেজার জানান, ওসি অপারেশন অফিসে এলে স্পা সেন্টারের দেওয়া নাস্তা গ্রহণ করতেন।

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, গুলশান ও বনানীর মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বছরের পর বছর ধরে কীভাবে এসব অবৈধ স্পা, সীসা লাউঞ্জ ও পতিতালয় টিকে থাকে। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে নয়, বরং মাসোহারার বিনিময়ে প্রশাসনের একাংশের নীরব প্রশ্রয়েই এই অপরাধচক্র ফুলে-ফেঁপে উঠেছে এবং খুব দাপটের সাথেই পরিচালিত হচ্ছে গুলশান – বনানীর অন্ধকার জগত।

এই বিষয়ে ডিএমপি গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দাউদ বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও ঠিকানা পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযু্ক্ত গুলশান থানার ইন্সপেক্টর (অপরেশন) মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,তথ‍্য প্রযুক্তির যুগে এআই দিয়ে হোয়ার্সাপের সব কিছু বানানো যায়।তবে এই কাজের সাথে আমার কিছু থানার অফিসার ও জড়িতে আছে বলে আমি মনে করি।আমাকে সরিয়ে দেওয়ার জন‍্য তারা এমন কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

উপদেষ্টা পর্ষদ

প্রধান উপদেষ্টা
হুমায়ুন কবির জীবন
উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক
আবুল হাসানাত
সম্পাদকীয় উপদেষ্টা
মোঃ শাহরিয়া সিকদার

সম্পাদকীয় পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শরিফ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
মোঃ শাহজাহান বাশার
উপসম্পাদক
সালাম মিয়া

কার্যালয় ও যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়

২ নং, উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়ন কৃষ্ণনগর। কুমিল্লা আদর্শ সদর

যোগাযোগ

+
+

ডিজাইন ও প্রযুক্তি সহায়তায়ঃ