সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ
● কুমিল্লায় ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক শাহজাহান বাশার ● মাদক ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি পেলেন আইনজীবী হাবিবুল হক ● বাকেরগঞ্জে গণধর্ষণের অভিযোগ নিতে ওসির অস্বীকৃতি! উল্টো ভিকটিমকে ৭ বছরের জেলের ভয়! ● আইন, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি: বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হলেন কুমিল্লার কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট হাবিবুল হক ● সুফিবাদ ও তাসাউফ তরিকতের মূল শিক্ষাই হলো ইসলামের মূল আদর্শ ও দর্শন-সাংবাদিক মোঃ শাহজাহান বাশার ● এডিএম স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ বিশেষ অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা পেলেন অ্যাডভোকেট মো. হাবিবুল হক ● শারদীয় দূর্গা পূজার আন্তর্জাতিক বিশ্বতান এর নাটক “সিদ্ধিদাতা গণেশ” ● আইন অঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতি, ‘স্মার্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন হাবিবুল হক ● বাকেরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ● নবী-ওলিদের মানবকল্যাণমুখী আদর্শে মানবিক সমাজ গঠনের আহ্বান-সৈয়দ সাইফুদ্দীন মাইজভাণ্ডারী

বেজরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগ ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

Reporter Name / ১৭০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

৩০

বেজরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগ ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি 

 

মোঃ শাহজাহান বাশার


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বেজরা উচ্চ বিদ্যালয়ের (EIIN: ১০৫২২০) প্রধান শিক্ষক মো. গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগ, আর্থিক অনিয়ম, নিয়োগ বাণিজ্য এবং সরকারি অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ এনে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির স্বাক্ষরিত পৃথক আবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লার বিদ্যালয় পরিদর্শক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, মো. গিয়াস উদ্দিন ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ে যোগদান করেন এবং ১ মে ২০০০ সালে এমপিওভুক্ত হন। বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও আরও সিনিয়র শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও বিধি লঙ্ঘন করে তৎকালীন সভাপতির যোগসাজশে ২১ নভেম্বর ২০১০ সালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং পরবর্তীতে ১৭ নভেম্বর ২০১২ সালে যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, নিয়োগসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করলে বিষয়টির সত্যতা পাওয়া যাবে।

আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, বিদ্যালয়ের ভর্তি ফি, বেতন, জরিমানা এবং ফরম পূরণের অর্থ বিধি অনুযায়ী ব্যাংকে জমা রাখার পরিবর্তে নগদে গ্রহণ করে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে ব্যয় দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি ক্যাশবুকে সঠিকভাবে হিসাব সংরক্ষণ করা হয়নি এবং ব্যাংক স্টেটমেন্টের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের অসঙ্গতি রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতি বছর সরকারি অডিট এবং প্রতি তিন মাস অন্তর অভ্যন্তরীণ অডিট বাধ্যতামূলক হলেও গত ১৭ বছর ধরে কোনো অডিট করা হয়নি। ফলে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের প্রকৃত হিসাব গোপন রাখা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সরকার থেকে বিভিন্ন খাতে প্রাপ্ত অনুদান—যেমন টি.আর., কাবিখা, এডিবি, জেলা পরিষদ এবং অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি সংস্থার অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করা হয়নি। এসব অর্থের ব্যবহার ক্যাশবুক, ব্যাংক হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১১ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ করে ব্রাহ্মণপাড়া সদরে ওশান স্কুলের পাশে “ভাই ভাই ভিলা” নামে একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করেছেন মো. গিয়াস উদ্দিন। অভিযোগকারীদের দাবি, একজন প্রধান শিক্ষকের সরকারি বেতন-ভাতার আয়ে এ ধরনের সম্পদের মালিক হওয়া সম্ভব নয়। তাই তাঁর সম্পদের উৎস অনুসন্ধান করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া, বিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেন, ক্যাশবুক, ব্যাংক হিসাব, অডিট প্রতিবেদন এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের উৎস তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “আমার বরাবর একটি অভিযোগ এসেছে। অভিযোগটি তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে একজন তদন্ত কর্মকর্তাকে নিয়োগ করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এছাড়া অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. গিয়াস উদ্দিনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, আবেদনপত্রে উত্থাপিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারীর দাবি। অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই বা প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী প্রশাসনিক বা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

উপদেষ্টা পর্ষদ

প্রধান উপদেষ্টা
হুমায়ুন কবির জীবন
উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক
আবুল হাসানাত
সম্পাদকীয় উপদেষ্টা
মোঃ শাহরিয়া সিকদার

সম্পাদকীয় পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শরিফ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
মোঃ শাহজাহান বাশার
উপসম্পাদক
সালাম মিয়া

কার্যালয় ও যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়

২ নং, উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়ন কৃষ্ণনগর। কুমিল্লা আদর্শ সদর

যোগাযোগ

+
+

ডিজাইন ও প্রযুক্তি সহায়তায়ঃ