কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ঝিলংজা ইউনিয়নের বিএনপি সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী ওরফে লিয়াকত মেম্বারকে ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায়’ ফাঁসানোর অভিযোগ করেছেন তার স্বজন ও সমর্থকেরা। তাদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন না করেই রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে লিয়াকত আলীকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে,কিন্তু ঘটনার বিডিও ফুটেজে তার কোনো সম্পৃক্ততা দেখা যায়নি।
গত ২৪ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেছনের গেটসংলগ্ন সড়কে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ সময় মইন উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। ঘটনার পর আদালত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার সময় উপস্থিত লোকজন জিয়াউল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন বলে মামলার নথি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়। পরে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তলসহ দুজনকে আটক করার কথা জানায় পুলিশ।
ঘটনার পর কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলায় তদন্তের পর বিএনপি নেতা লিয়াকত আলীর নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
মামলায় চার্জশিটভুক্ত হওয়ার পর বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন লিয়াকত আলী। আদালতের বিচারক ইরফানুল হক চৌধুরী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
লিয়াকত আলীর আইনজীবী গোলাম ফারুক খান কায়সার বলেন, আদালত এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় অস্ত্র মামলায় চার্জশিটভুক্ত হওয়ার পর লিয়াকত মেম্বার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন। আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, ২৪ মে গুলির শব্দ শুনে কোর্ট পুলিশ, পুলিশ সুপার কার্যালয়ের গোয়েন্দা শাখা, বিশেষ শাখা ও সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তাৎক্ষণিক অভিযানে দুজনকে আটক করা হয় এবং একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধারের কথা জানানো হয়।
ওসি জানান, ঘটনার পর লিয়াকত মেম্বারকে গুলি করার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছিল। পাশাপাশি পুলিশ বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে আরেকটি মামলা করে। ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রফিক তদন্ত শেষে লিয়াকত আলীর সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়ে চার্জশিটে তাকে আসামি করেন।
এদিকে,ঘটনার পর বিভিন্ন মহলে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়ভাবে এমন কথাও প্রচার হয়েছিল যে, একটি হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিতে আসা কোনো ব্যক্তিকে আদালত এলাকা থেকে তুলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আবার কেউ কেউ দাবি করেন, প্রশাসনিক সহানুভূতি বা অন্য কোনো সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে লিয়াকত আলীকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা সাজানো হয়ে থাকতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টা : হুমায়ুন কবির জীবন
উপদেষ্টা: আবুল হাসানাত
সম্পাদকীয় উপদেষ্টা: মোঃ শাহরিয়া সিকদার
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ শরিফ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ শাহজাহান বাশার
উপসম্পাদক : সালাম মিয়া
প্রধান কার্যালয় : ২ নং, উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়ন কৃষ্ণনগর। কুমিল্লা আদর্শ সদর
যোগাযোগ : +880 1828-413420
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মেহেনাজ আইটি